আইপিএল ২০২০ স্থগিত, বাতিল করা হল ভারত-দক্ষিণ আফ্রিকা ওডিআই সিরিজ

আইপিএল ২০২০

জাস্ট দুনিয়া ডেস্ক: আইপিএল ২০২০ স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত নিল বিসিসিআই। ২৯ মার্চ থেকে শুরু হওয়ার কথা ছিল ১৪৩ম আইপিএল। কিন্তু তেমনটা হচ্ছে না। ১৪ মার্চ আইপিএল গভর্নিং কাউন্সিলের মিটিং। সেখানেই যাবতীয় সিদ্ধান্ত হওয়ার কথা থাকলেও একদিন আগেই দিন বদলের সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলল ভারতীয় ক্রিকেট কন্ট্রোল বোর্ড। বিসিসিআই তাদের প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, করোনাভাইরাসের কারণে কোনও ঝুঁকি নিয়ে তারা ২৯ মার্চ থেকে আইপিএল শুরু করছে না। শুরু হতে পারে ১৫ এপ্রিল থেকে।

বৃহস্পতিবার কেন্দ্র সরকার নির্দেশিকা জারি করে জানিয়েছিল, ১৫ এপ্রিল পর্যন্ত সব রকম ভিসা তারা বাতিল করে দিয়েছে। যে কারণে আইপিএল শুরু হলেও কোনও বিদেশি ক্রিকেটার খেলতে আসতে পারতেন না। এটা আইপিএল-এর জন্য বড় ধাক্কা হতো। যদিও এটা খনও নিশ্চিত নয় যে ১৫ এপ্রিলের পর বিদেশিরা দলের সঙ্গে যোগ দিতে পারবেন।


(জাস্ট দুনিয়ার ফেসবুক পেজ লাইক করতে ক্লিক করুন)

এ ছাড়া এই সময় ম্যাচ হলে করতে হতো দর্শকশূন্য স্টেডিয়ামে। যা কোটি কোটি টাকার লোকসান করে দিত এই টুর্নামেন্ট, স্পনসর, ফ্র্যাঞআইজি ও ব্রডকাস্টার্সদের। এই অবস্থায় টুর্নামেন্ট না করারই সিদ্ধান্ত নিল বিসিসিআই।

১৪ মার্চ শনিবার মুম্বইয়ে গভর্নিং কাউন্সিলের মিটিংয়ে ডাকা হয়েছে সব ফ্র্যাঞ্চাইজিকে। যাতে পুরোপুরি সিদ্ধান্ত নেওয়া যায়। শোনা যায় তাদেরও মতামত। ১৫ এপ্রিল থেকে আইপিএল শুরু হলে নতুন করে ফিক্সচার তৈরি করতে হবে। শনিবারই তার অনেকটাই পরিষ্কার হয়ে যাবে।

এর মধ্যেই বাতিল হয়ে গেল ভারত বনাম দক্ষিণ আফ্রিকা ওডিআই সিরিজ। প্রথম ম্যাচ ধর্মশালায় বৃষ্টির জন্য শুরুই করা যায়নি বৃহস্পতিবার। সেদিনই সরকারের তরফে নির্দেশিকা জারি করা হয় যে কোনও স্পোর্টস ইভেন্ট আয়োজন করতে হলে তা খালি গ্যালারিতেই করতে হবে। এই অবস্থায় দর্শকশূন্য স্টেডিয়ামেই ভারত-দক্ষিণ আফ্রিকা বাকি দুটো একদিনে ম্যাচ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল বিসিসিআই।

শুক্রবার বদলে গেল সিদ্ধান্ত। এদিনই দ্বিতীয় ওডিআই খেলতে লখনৌতে পৌঁছে গিয়েছে দুই দল। কিন্তু লখনৌ এবং কলকাতা ওডিআই বাতিল করে দেওয়া হল ক্রিকেটার ও সাপোর্টস্টাফদের স্বাস্থ্যের কথা ভেবে। বিসিসিআই-এর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সবার প্রথম যে বিমান পাওয়া যাবে তাতেই দেশে ফিরে যাবে দক্ষিণ আফ্রিকা দল।

বিসিসিআই জানিয়েছে, তারা নিয়মিত কেন্দ্র সরকার এবং তাদের স্বাস্থ্য ও ক্রীড়ামন্ত্রকের সঙ্গে যোগাযোগ রেখে চলছে। যা সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে তা প্লেয়ার, স্টাফ, কর্তা এবং সমর্থকদের কথা মাথায় রেখেই করা হবে।


এই সংক্রান্ত আরও খবর পড়তে ক্লিক করুন