অধিনায়ক শ্রেয়াস উড়িয়ে দিল কলকাতাকে

অধিনায়ক শ্রেয়াসশ্রেয়াসের ব্যাট চলল পুরো ম্যাচে। ছবি-বিসিসিআই।

জাস্ট দুনিয়া ডেস্ক: অধিনায়ক শ্রেয়াস দায়িত্ব নিতেই আইপিএল-এ  ভাগ্য ফিরল দিল্লি ডেয়ার ডেভিলসের। আর নতুন অধিনায়কের ব্যাটেই কেকেআর-কে উড়িয়ে বাজিমাত ঘরের মাঠে। কলকাতার বিরুদ্ধে ঘরের মাঠে নামার আগেই দলের ব্যর্থতার দায় নিয়ে অধিনায়কত্ব থেকে সরে দাঁড়িয়েছিলেন গৌতম গম্ভীর। সঙ্গে সঙ্গেই সেই দায়িত্ব দিল্লি কর্তারা তুলে দেন শ্রেয়াস আয়ারের হাতে। শুক্রবার গম্ভীরকে দলেও রাখেন কোচ পন্টিং। কিন্তু তার মধ্যেই জয়ে ফিরল দিল্লি। কলকাতার ভাগ্য থেকে গেল সেই তিমিরেই।

টস জিতে ফিরোজ শাহ কোটলায় ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন কেকেআর অধিনায়ক দীনেশ কার্তিক। প্রথমে ব্যাট করতে নেমে ভিতটা তৈরি করে দিয়েছিল পৃথ্বী শ আর মুনরো জুটি। দু’জনেই ঝোড়ো ব্যাটিং করলেন। সপ্তম ওভারের শেষ বলে যখন মুনরো প্যাভেলিয়নে ফিরলেন তখন তাঁর নামের পাশে ১৮ বলে ৩৩ রানের ইনিংস তো ছিলই সঙ্গে দলের রান পৌঁছে গিয়েছিল ৫৯এ। এর পরটা টি২০ আসল খেল দেখালেন পৃথ্বীকে সঙ্গে নিয়ে শ্রেয়াস। শ্রেয়াস থামলেন ৪৪ বলে ৬২ রান করে। তার মধ্যে ৭টি বাউন্জারি ও ২টি ওভার বাউন্ডারি।

অভিনব সিদ্ধান্ত নিলেন গৌতম গম্ভীর

কিন্তু তার পরটা পুরোটা দলের নতুন অধিনায়কের। দুরন্ত ব্যাটিং। ৪০ বলে ৯৩ রানের অপরাজিত ইনিংস, ১০টা ওভার বাউন্ডারি। সঙ্গে ৩টি বাউন্ডারি। গ্লেন ম্যাক্সওয়েলের ব্যাট থেকে এল ১৮ বলে ২৭ রান। একমাত্র ঋশভ পন্থ কোনও রান না করেই ফিরলেন। এ ছাড়া দিল্লির ব্যাটিংয়ে প্রথম থেকেই লেখা ছিল ম্যাচ জয়ের ঠিকানা। যে রাস্তা পরে ব্যাট করে বদলাতে পারেনি কলকাতা। ২০ ওভারে দিল্লি ৎখন থামল তখন তাদের নামের পাশে ২১৯-৪। রান রেট ১১র কাছাকাছি।

এই বিরাট লক্ষ্যে নেমে প্রথম থেকে আত্মবিশ্বাসটাই হারিয়ে গিয়েছিল কলকাতার। ওপেন করতে নেমে ক্রিস লিন ৫, সুনীল নারিন ২৬, উথাপ্পা ১, নীতিশ রানা ৮, কার্তিক ১৮ করে ফিরে যাওয়ায় ভিতটাই তৈরি করতে পারেনি কেকেআর। এর পর সুবমন গিলের ২৯ বলে ৩৭ ও আন্দ্রে রাসেলের ৩০ বলে ৪০ রানের ইনিংস কিছুটা স্বস্তি দিলেই ওই লক্ষ্যে পৌঁছনো সম্ভব ছিল না। শিবম মাভি ০, পীযুষ চালা ২ করে আউট হন। জনসন ১২ ও কুলদীপ ৭ রান করে অপরাজিত থাকেন। কলকাতা থামল ১৬৪-৯এ। ম্যাচের সেরা হয়েছেন স্বাভাবিকভাবেই শ্রেয়াস আয়ার। ওভার থাকলে সেঞ্চুরি করেই মাঠ ছাড়তেন দিল্লির প্রথম ম্যাচেই সফলতম অধিনায়ক।