প্রিয়ঙ্কা গান্ধী কুম্ভমেলায় স্নান করে দলের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব নেবেন

প্রিয়ঙ্কা গান্ধী

জাস্ট দুনিয়া ডেস্ক: প্রিয়ঙ্কা গান্ধী দায়িত্ব নেবেন আগামী ৪ ফেব্রুয়ারি। শুধু তাই নয়, ওই দিন তিনি কুম্ভমেলায় গিয়ে স্নানও করবেন। তার পর কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক পদে দায়িত্ব নিয়ে দেখভাল শুরু করবেন উত্তরপ্রদেশের পূর্বাংশের।

ঠিক এমন ভাবেই ২০০১ সালে যখন রাজনীতিতে ক্রমশ সক্রিয় হচ্ছেন তাঁর মা সনিয়া গান্ধী, তখন মায়ের সঙ্গে তিনিও স্নান করেছিলেন কুম্ভে।

কংগ্রেস সূত্রে জানা গিয়েছে, ফেব্রুয়ারির ৪ তারিখে উত্তরপ্রদেশের রাজধানী লখনউতে দাদা রাহুল গান্ধীর সঙ্গে যৌথ সাংবাদিক বৈঠকে অংশও নেবেন প্রিয়ঙ্কা গান্ধী ।

দীর্ঘ দিনের জল্পনা উড়িয়ে চলতি সপ্তাহের শুরুতেই প্রিয়ঙ্কার রাজনীতিতে যোগ দেওয়ার কথা জানিয়েছিল কংগ্রেস। কংগ্রেস মুখপাত্র অশোক গহলৌত একটি বিবৃতি জারি করে জানান প্রিয়ঙ্কাকে দলের সাধারণ সম্পাদকের পদে নিয়োগ করেছেন সভাপতি রাহুল গান্ধী।

তার পরেই সরকারি ভাবে ওই দায়িত্ব নেওয়ার জন্য তাঁরা বেছে নিয়েছেন ৪ ফেব্রুয়ারিকেই বলে কংগ্রেস সূত্রে খবর। ওই দিন একই সঙ্গে মৌনী অমাবস্যা এবং কুম্ভের দ্বিতীয় শাহি স্নানের দিন।

সক্রিয় রাজনীতিতে প্রিয়ঙ্কা গান্ধী, ভোটে দাঁড়াতে পারেন মা সনিয়ার রায়বরেলী থেকে

২০০১ সালে সনিয়ার কুম্ভে স্নানের ১৮ বছর বাদে ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি ঘটাচ্ছেন প্রিয়ঙ্কা গান্ধী । শুধু প্রিয়ঙ্কা নন, কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধীও প্রয়াগরাজে গঙ্গা-যমুনার সঙ্গমে স্নান করবেন। ৪ ফেব্রুয়ারি মৌনী অমাবস্যা। সেজন্য ওই দিনটিকে তাঁরা বেছে নিয়েছেন বলেই জানা গিয়েছে।

কুম্ভস্নানের দিন নিয়ে অবশ্য এখনও অনিশ্চয়তা আছে। ওই দিন কোনও কারণে পুণ্যস্নান সম্ভব না হলে ১০ ফেব্রুয়ারি বসন্ত পঞ্চমীর দিন কুম্ভে ডুব দেবেন রাহুল-প্রিয়ঙ্কা। যা একই সঙ্গে তৃতীয় শাহি স্নানের দিন। প্রিয়ঙ্কার কংগ্রেসের দায়িত্ব নেওয়ার দিনের সঙ্গে কুম্ভস্নান জড়িয়ে দেওয়ায় অনেকের মত, বিজেপিকে সামলাতে নরম হিন্দুত্বের রাস্তায় হাঁটছে কংগ্রেস। রাহুলের কৈলাস-মানসরোবর তীর্থযাত্রার সময়ও রাজনৈতিক মহলে উঠেছিল একই প্রশ্ন।

এর আগে রাহুল জানিয়েছিলেন, নিজের পরিবার এবং সন্তানকে সময় দেওয়ার জন্যই এত দিন সরাসরি রাজনীতিতে আসেননি প্রিয়ঙ্কা। আবার কংগ্রেসের তরফে এটাও বলা হচ্ছিল যে, সরাসরি রাজনীতিতে যোগ না দিলেও রায়বরেলি এবং অমেঠিতে সনিয়া এবং রাহুলের নির্বাচনী কেন্দ্রের যাবতীয় কাজ পরিচালনা করতেন তিনিই। ৪ ফেব্রুয়ারির পর অবশ্য থাকছে না আর কোনও ধোঁয়াশা।সরাসরি নেমে পড়ছেন লোকসভা নির্বাচনের এমন এক ময়দানে, যা কংগ্রেসের কাছে প্রবল প্রতিপক্ষের হাত থেকে হৃত সাম্রাজ্য পুনরুদ্ধারের লড়াই।

(দেশের আরও খবর জানতে হলে ক্লিক করুন এই লিঙ্কে)