শিশু পর্নোগ্রাফির দায়ে অভিযুক্ত টুইটার, দায়ের হল চার নম্বর মামলা 

শিশু পর্নোগ্রাফির দায়ে অভিযুক্ত টুইটার

জাস্ট দুনিয়া ডেস্ক: শিশু পর্নোগ্রাফির দায়ে অভিযুক্ত টুইটার, দিল্লিতে মঙ্গলবার দায়ের হল চার নম্বর মামলা। কেন্দ্রীয় তথ্যপ্রযুক্তি আইন নিয়ে ইতিমধ্যেই মোদী সরকারের সঙ্গে টুইটারের চূড়ান্ত মতানৈক্য তৈরি হয়েছে। ওই আইন অনুযায়ী, সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রকাশিত সমস্ত কনটেন্টের উৎস কেন্দ্রকে জানাতে বাধ্য ফেসবুক, টুইটারের মতো সংস্থাগুলি। এমনকি আপত্তিকর পোস্টের উপর নজরদারি করা বা তা সরিয়ে দিতেও দায়বদ্ধ থাকবে তারা। তবে কেন্দ্রীয় সরকারের এই নির্দেশকে বাক্‌-স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ বলেই মনে করে টুইটার।

টুইটারকে দেশের আইন অনুযায়ী চলার হুঁশিয়ারি দিয়েছে সংসদীয় কমিটি। এর পর থেকে তথ্যপ্রযুক্তি আইনে একাধিক মামলা দায়ের হয়েছে টুইটারের বিরুদ্ধে। এ বার সেই তালিকায় ঢুকে পড়ল প্রোটেকশন অব চিলড্রেন ফ্রম সেক্সুয়াল অফেন্সেস (পকসো) আইনও।

টুইটারে শিশু পর্নোগ্রাফি সংক্রান্ত কনটেন্ট থাকার অভিযোগ তুলে দিল্লি পুলিশের সাইবার অপরাধদমন শাখায় অভিযোগ করে জাতীয় শিশু অধিকার সংরক্ষণ কমিশন (এনসিপিসিআর)। অভিযোগে জানানো হয়। শিশুদের পর্নোগ্রাফিক কনটেন্ট ক্রমাগত পোস্ট করা হচ্ছে টুইটারে। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে পকসো আইনে অভিযোগ দায়ের করেছে অপরাধদমন শাখা। কমিশন এর আগেও এমন অভিযোগ দায়ের তুলেছে।

দুটো চিঠিও লেখা হয় সাইবার সেল এবং দিল্লি পুলিশের প্রধানের কাছে। গোটা বিষয়ের তদন্ত করে ৭ দিনের মধ্যে রিপোর্ট কমিশনে জমা দেওয়ার কথা বলেছিল কমিশন। তা না হওয়ায় মঙ্গলবার দিল্লি পুলিশের ডিসিপি অন্বেষ রায়কে কমিশনে ভার্চুয়ালি হাজির হওয়ার কথা বলা হয়।

এর আগে উত্তরপ্রদেশের গাজিয়াবাদে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের এক ব্যক্তিকে হেনস্থা-সহ জোর করে ‘বন্দে মাতরম্’ এবং ‘জয় শ্রীরাম’ বলানোর ভিডিয়ো টুইটারে পোস্ট করার অভিযোগে ওঠে এ মাসের প্রথম দিকে। তা নিয়ে টুইটারের বিরুদ্ধে গাজিয়াবাদে এফআইআর করা হয়েছিল। সেই মামলা সুপ্রিম কোর্ট অবধি পৌঁছয়। ওই মামলায় ভারতে টুইটারের প্রধান মণীশ মহেশ্বরীর বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানায় কর্নাটক হাই কোর্ট স্থগিতাদেশ দিয়েছে।

সম্প্রতি ভারতের মানচিত্রে জম্মু ও কাশ্মীর এবং লাদাখকে রাখা হয়নি বলে দেখানোর অভিযোগ উঠেছে টুইটারের বিরুদ্ধে। সেই অভিযোগে মহেশ্বরীর বিরুদ্ধে মধ্যপ্রদেশে আর একটি এফআইআর করা হয়েছে। দিল্লির এই নতুন মামলা ওই তালিকায় ৪ নম্বর মামলা। ভারতে বিভিন্নভাবে আইন ভেঙে চাপে টুইটার।

(প্রতিদিন নজর রাখুন জাস্ট দুনিয়ার খবরে)

(জাস্ট দুনিয়ার ফেসবুক পেজ লাইক করতে ক্লিক করুন)