রাহুল গান্ধী গরিবি হঠাও অভিযানে, ভোটে জিতলে দেবেন ৭২ হাজার টাকা

করোনা পজিটিভ রাহুল গান্ধী

জাস্ট দুনিয়া ডেস্ক: রাহুল গান্ধী গরিবি হঠাও অভিযানে নেমে পড়লেন ভোটের ময়দানে। ঠিক যেমন ভাবে ইন্দিরা গান্ধী নেমেছিলেন ১৯৭১-এ। সেই স্লোগান তাঁকে জয় এনেও দিয়েছিল। এ বার নাতি রাহুলও সে পথেই হাঁটলেন।

ঘোষণা আগেই করেছিলেন। ভোটে জিতলে তাঁর সরকার গরিবদের জন্য ন্যূনতম আয়ের ব্যবস্থা করবে। সোমবার কংগ্রেসের ওয়ার্কিং কমিটির বৈঠক ছিল। সেই বৈঠক শেষে কংগ্রেস সভাপতি জানিয়ে দিলেন ভোটে জিতলে দেশের ৫ কোটি পরিবারকে মাসে ৬ হাজার টাকা করে দেওয়া হবে। সেই হিসেবে মোটামুটি ভাবে ২৫ কোটি গরিব মানুষ উপকৃত হবেন বলেই কংগ্রেসের দাবি।

ভোটের আরও খবর পড়তে এখানে ক্লিক করুন

এর আগে নরেন্দ্র মোদীর সরকার জানিয়েছিল, ফের ক্ষমতায় আসলে তারা কৃষকদের বছরে ৬ হাজার টাকা করে দেবে। কিন্তু রাহুল এ দিন আরও কয়েক ধাপ এগিয়ে জানিয়ে দিলেন, তাঁরা যদি সরকার গড়তে পারেন, তা হলে সব গরিব পরিবারকে মাসে ৬ হাজার টাকা করে দেওয়া হবে। রাজনৈতিক মহলের দাবি, অঙ্কের হিসেবে প্রতিশ্রুতিতে রাহুলের থেকে কয়েক হাজার মাইল পিছনে পড়ে গেলেন নরেন্দ্র মোদী। অর্থনীতি ও পরিসংখ্যানের হিসেব বলছে, দেশে দারিদ্রসীমার নীচে রয়েছে প্রায় ২৫ কোটি পরিবার। রাহুলের দাবি, ওই পরিবারগুলির মধ্যে ২০ শতাংশ অর্থাৎ ৫ কোটি পরিবার সাহায্য পাবে।

এ দিনের বৈঠক শেষে রাহুল বলেন, ‘‘৫ কোটি পরিবারকে বছরে ৭২ হাজার টাকা করে দেওয়া হবে। জাত-ধর্ম-শহর-গ্রাম নির্বিশেষে সকলেই এই টাকা পাবেন।’’ রাহুলের দাবি, টাকা যাবে সোজা ব্যাঙ্কে। এই প্রকল্পের নামও ঠিক করে ফেলেছে কংগ্রেস। প্রিয়ঙ্কা গান্ধী এর নাম দিয়েছেন ন্যায়। রাহুলের এ দিনের ঘোষণার পর প্রিয়ঙ্কা টুইট করেছেন, ‘সবকি ন্যায়, সবকি সম্মান’।

চাঁচলে রাহুল গান্ধী, তাঁর আক্রমণের কেন্দ্রে মোদী-মমতা

সম্প্রতি এক সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে, এ দেশের গরিব পরিবারগুলির আয় গড়ে মাসে ৫-৬ হাজার টাকা। ২ কোটি পরিবার আছে, যারা ৬ হাজার টাকার নীচে আয় করে। তাদের ৬ হাজার টাকা করে দেওয়া প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন রাহুল। কংগ্রেস সূত্রে দাবি করা হয়েছে, ওই পরিবারগুলির আয় ১২ হাজার ছাড়িয়ে গেলেই আর ‘ন্যায়’ প্রকল্পের টাকা আর সেই পরিবার পাবে না।

রাহুল গান্ধীর ন্যূনতম আয়ের এই ঘোষণায় অস্বস্তিতে বিজেপি। নীতি আয়োগের ভাইস চেয়ারম্যান রাজীব কুমার জানিয়েছেন, রাহুলের এই প্রকল্প বাস্তবে কার্যকর হওয়া সম্ভব নয়। কারণ প্রকল্প কার্যকর করার মতো কোষাগারে অর্থ নেই।

জাস্ট দুনিয়ার ফেসবুক পেজ লাইক করতে ক্লিক করুন