আনলক-টু শুরুর আগে গরিবদের জন্য ফ্রি রেশনের সময় বাড়ল

আনলক-টু

জাস্ট দুনিয়া ডেস্ক: আনলক-টু শুরু হয়ে যাচ্ছে ১ জুলাই থেকে। তার আগে ৩০ জুন আবার সামনে এলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। জানিয়ে গেলেন তাঁর কিছু নতুন উদ্যোগের কথা। তার মধ্যে মুখ্য রয়েছে ‘ফ্রি রেশন’-এর ঘোষণা। যা বাড়িয়ে করা হল নভেম্বর পর্যন্ত।

কী কী বললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী


করোনার বিরুদ্ধে লড়তে লড়তেই আনলক-টু -তে প্রবেশ করতে চলেছি আমরা। আর এটা সেই সময় যখন সর্দি-কাশি-জ্বরের প্রকোপ অনেকটাই বেড়ে যায়।

করোনায় মৃত্যুর কথা যদি বলা হয় অন্য দেশের থেকে ভারত অনেক ভালো জায়গায় রয়েছে। তার কারণ সঠিক সময়ে করা লকডাউন এবং তার সঙ্গে আর বেশ কিছু সিদ্ধান্ত।  যা লাখো লোকের জীবন বাঁচিয়েছে।

যখন থেকে দেশে আনলক-ওয়ান শুরু হয়েছে তখন থেকে মানুষের মধ্যে নিয়ম না মানার পরিমাণ বেড়ে গিয়েছে। প্রথেমে মাস্ক, তার পর দুরত্ব বজায় রাখা নিয়ে, ২০ সেকেন্ড ধরে দিয়ে কয়েকবার হাত ধোয়া নিয়ে।

লকডাউনের সময় সকলেই খুব ভালভাবে নিয়মের পালন করেছিল। এখন সরকারদের, স্থানীয় সংস্থা, দেশের নাগরিকদের আবার আগের মতো সতর্ক হতে হবে।

আমাদের কনটেনমেন্ট জোনের দিকে বিশেষ নজর দিতে হবে। টারা নিয়ম পালন করছেন না তাঁদের আটকাতে হবে এবং বোঝাতে হবে।

লকডাউনের সময় দেশের প্রাথমিক লক্ষ্য ছিল কারও ঘরে রান্না হচ্ছে না এমন অবস্থা যাতে না হয়। কেন্দ্র সরকার বা রাজ্য সরকার, সিভিল সোসাইটির মানুষ, সবাই মিলে চেষ্টা করেছে এত বড় দেশে কোনও গরীব ভাই-বোন যাতে না খেয়ে না থাকে।

দেশ হোক বা ব্যক্তি, সময় মতো এবং সমবেদনার সঙ্গে সিদ্ধান্ত নিতে হবে, তাতে যে কোনও কঠিন পরিস্থিতির সঙ্গে লড়াই করার ক্ষমতা বেড়ে যায়। এই কারণে লকডাউন শুরু হতেই সরকার প্রধানমন্ত্রী গরিব কল্যাণ যোজনা নিয়ে এসেছে।

গত তিন মাসে ২০ কোটি গরিব মানুষের জনধন খাতায় সরাসরি ৩১ হাজার কোটি টাকা জমা করানো হয়েছে। এর মধ্যে ন’কোটির থেকে বেশি কৃষকের ব্যাঙ্কে ১৮ হাজার কোটি টাকা জমা পড়েছে।

শুনুন মোদীর ভাষণ আনলক-টু নিয়ে

আরও একটি বড় বিষয় যা দুনিয়াকে চমকে দিয়েছে, সেটা হল করোনার সঙ্গে লড়াই করতে করতেই ভারতে ৮০ কোটির বেশি মানুষকে তিন মাসের রেশন তার মানে পরিবারের সব সদস্যকে পাঁচ কিলো গ‌ম বা চাল বিনা পয়সায় দেওয়া হয়েছে।

আমাদের দেশে বর্ষার সময় ও তার পর বিশেষ করে চাষের ক্ষেত্রে বেশি কাজ হয়, অন্য দিকে কিছুটা হালকা থাকে। জুলাই থেকে আসতে আসতে উৎসবের মরসুম শুরু হয়ে যায়।

উৎসবের সময় মানুষের প্রয়োজনও বেড়ে যায়। সেই সব কিছুকে মাথায় রেখে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে যে প্রধানমন্ত্রী গরিব কল্যাণ যোজনার সময় দীপাবলি ও ছটপুজো পর্যন্ত মানে নভেম্বর পর্যন্ত বাড়ানো হবে।

প্রধানমন্ত্রী গরিব কল্যাণ অন্ন যোজনায়  ৯০ হাজার কোটি টাকা খরচ হবে। আগে খরচ টদি এর মধ্যে জুড়ে দেওয়া হয় তাহলে সেই খরচ গিয়ে দাঁড়াবে দেড় লাখ কোটি টাকায়।

এখন পুরো ভারতের জন্য একটিই রেশন কার্ডের ব্যবস্থা করা হচ্ছে, মানে এক রাষ্ট্র এক রেশন কার্ড (One Nation One Ration Card)।  এর সব থেকে বড় লাভ সেই সব গরিব বন্ধুদের হবে যাঁরা রোজগার বা অন্য প্রয়োজনে নিজের গ্রাম ছেড়ে অন্যত্র যেতে হয়।

(দেশের আরও খবরের জন্য এখানে ক্লিক করুন)

(জাস্ট দুনিয়ার ফেসবুক পেজ লাইক করতে ক্লিক করুন)