করোনায় এ দেশে তৃতীয় মৃত্যু, কর্নাটক-দিল্লির পর এ বার মহারাষ্ট্র

করোনায় এ দেশে তৃতীয় মৃত্যুকরোনায় এ দেশে তৃতীয় মৃত্যু

জাস্ট দুনিয়া ডেস্ক: করোনায় এ দেশে তৃতীয় মৃত্যু হল। কর্নাটক-দিল্লির পর এ বার মহারাষ্ট্রে ৬৪ বছর বয়সি এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে। তিনি মুম্বইয়ের একটি হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন।

গোটা দেশে এই মুহূর্তে কোভিড-১৯ ভাইরাসে আক্রান্ত ব্যক্তির সংখ্যা ১২৬। তার মধ্যে সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত মহারাষ্ট্রে। গত সপ্তাহতেই বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (হু) করোনাভাইরাসের এই আক্রমণকে অতিমারি হিসেবে ঘোষণা করেছে।


এই সংক্রান্ত আরও খবর পড়তে ক্লিক করুন

কর্নাটকে ৭৬ বছরের এক ব্যক্তি গত সপ্তাহে মারা গিয়েছিলেন করোনা-আক্রান্ত হয়ে। তার পরেই দিল্লিতে ৬৮ বছর বয়সি এক মহিলার মৃত্যু হয় করোনা-আক্রান্ত হয়ে। এর পর দেশে করোনায় তৃতীয় মৃত্যুর ঘটনা ঘটল মঙ্গলবার, মহারাষ্ট্রের মুম্বইতে। এই মৃত্যুর পরেই জরুরি বৈঠক ডেকেছেন মহারাষ্ট্রের স্বাস্থ্যমন্ত্রী রাজেশ তোপে।

কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রক সূত্রে খবর, ৬৪ বছরের ওই বৃদ্ধ প্রথমে হিন্দুজা হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন। অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাঁকে কস্তুরবা হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়। সেখানেই এ দিন তাঁর মৃত্যু হয়েছে। গত ৮ মার্চ দুবাই থেকে ফিরেছিলেন তিনি। তাঁর স্ত্রী এবং ছেলেও করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে কোয়রান্টিন হয়ে রয়েছেন।

সারা দেশের মধ্যে মহারাষ্ট্রেই সবচেয়ে বেশি করোনা আক্রান্তের সন্ধান মিলেছে। ওই রাজ্যে মোট ৩৯ জনের রিপোর্ট পজিটিভ এসেছে। এ ছাড়া অনেকেই কোয়রান্টিন রয়েছেন হাসপাতালে। গৃহ-পর্যবেক্ষণের নির্দেশও দেওয়া হয়েছে। এ দিনই নয়া নিয়ম চালু করেছে মহারাষ্ট্র সরকার। যাঁদের গৃহ-পর্যবেক্ষণে রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, তাঁদের হাতে স্ট্যাম্প লাগিয়ে দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী উদ্ধব ঠাকরে। এ বিষয়ে তিনি রাজ্য প্রশাসনের শীর্ষ কর্তাদের সঙ্গে বৈঠকও করেন।


জাস্ট দুনিয়ার ফেসবুক পেজ লাইক করতে ক্লিক করুন

পশ্চিমবঙ্গে কেউ আক্রান্ত না হলেও গৃহ-পর্যবেক্ষণে রাখার সংখ্যা বাড়ছে। রাজ্য প্রশাসন সূত্রে খবর, এখনও পর্যন্ত রাজ্যে ১২ হাজার ২০০ জনকে করোনাভাইরাস (কোভিড-১৯) পরীক্ষা করা হয়েছে। এবং তাঁদের পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। যাঁদের পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে তাঁদের মধ্যে অবশ্য ২৪৮ জনের পর্যবেক্ষণের সময় শেষ হওয়ায় ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। গৃহ-পর্যবেক্ষণে রয়েছেন ১১ হাজার ৯৪২ জন। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন ১০ জন। এ রাজ্যে আন্তর্জাতিক সীমান্ত এবং অন্যান্য রাজ্যের সঙ্গে সীমানায় স্বাস্থ্য শিবির বাড়ানো হচ্ছে। ইতিমধ্যেই প্রায় ১০০টি এমন চেকপোস্ট তৈরি হয়েছে বলে নবান্ন সূত্রে জানা গিয়েছে।