লকডাউন থাকা সত্ত্বেও ২০ এপ্রিল থেকে কোথায় কোথায় ছাড়, জেনে নিন

লকডাউন থাকা সত্ত্বেও ২০ এপ্রিল থেকে কোথায় কোথায় ছাড়লকডাউন থাকা সত্ত্বেও ২০ এপ্রিল থেকে কোথায় কোথায় ছাড়

জাস্ট দুনিয়া ডেস্ক: লকডাউন থাকা সত্ত্বেও ২০ এপ্রিল থেকে কোথায় কোথায় ছাড়, সেই সংক্রান্ত নির্দেশেকা জারি করল কেন্দ্রীয় সরকার। বুধবার সেই নির্দেশিকা প্রকাশ করা হয়েছে।

শিল্প ক্ষেত্র

পুর-এলাকার বাইরে গ্রামীণ এলাকার শিল্প-কারখানা
এসইজেড, রফতানি মূলক ক্ষেত্র, শিল্প তালুক ও শিল্প নগরীর সমস্ত কারখানা ও অন্য সংস্থা
নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য, ওষুধ, চিকিৎসা যন্ত্র শিল্প
প্যাকেজিং শিল্প
তথ্যপ্রযুক্তি হার্ডওয়্যার
কয়লা ও খনিজ পদার্থ উৎপাদন ও সরবরাহ
পাট শিল্প
গ্রামীণ এলাকায় ইট ভাটা

নির্মাণ ক্ষেত্র

সড়ক, সেচ, ভবন, ছোট- মাঝারি সমস্ত শিল্প প্রকল্প, শিল্প তালুকের সমস্ত প্রকল্প
শহর এলাকায় সব রকম নির্মাণ প্রকল্প, যেখানে প্রকল্প এলাকায় কর্মীরা রয়েছেন, বাইরে থেকে কর্মী আনার দরকার নেই
তথ্যপ্রযুক্তি ক্ষেত্র। ৫০ শতাংশের বেশি কর্মী কাজ করতে পারবেন না।
সংবাদমাধ্যম
সরকারি কাজে প্রয়োজনীয় ডেটা ও কল সেন্টার
গ্রাম পঞ্চায়েতের কমন সার্ভিস সেন্টার
ই-কমার্সকোম্পানি
কুরিয়ার সার্ভিস
কোল্ড স্টোরেজ
বেসরকারি নিরাপত্তা প্রদানকারী সংস্থা
যে সব হোটেলে লকডাউনে পর্যটকেরা আটকে পড়েছেন
গাড়ি সারানোর যে কর্মী, প্লাম্বার, ইলেকট্রিশিয়ানরা ব্যক্তিগত উদ্যোগে কাজ করেন

করোনাভাইরাস সংক্রান্ত সব খবর জানতে এখানে ক্লিক করুন

১০০ দিনের কাজ

শারীরিক দূরত্ব বজায় রাখতে হবে, মাস্ক পরতে হবে, জোর দেওয়া হবে সেচ ও জল সংরক্ষণের কাজে কৃষি ক্ষেত্র
কৃষি, মৎস্য ও দুধ শিল্প পোলট্রি ফার্মখোলা থাকবে। খুলবে গোশালাও
চা-কফি রাবার, কাজুবাদাম উৎপাদন ও সেগুলির প্যাকেজিং সংক্রান্ত শিল্প। তবে ৫০ শতাংশ কর্মীর বেশি কাজ করতে পারবেন না আর্থিক ক্ষেত্র
ব্যাঙ্ক ও সমস্ত শাখা। ব্যাঙ্কের সঙ্গে যুক্ত তথ্যপ্রযুক্তি কেন্দ্র
বিমা সংস্থা সামাজিক ক্ষেত্র
বৃদ্ধাশ্রম, মানসিক ভাবে প্রতিবন্ধী, শারীরিক ভাবে অশক্ত, গৃহহীন ও নিঃসহায় মহিলাদের জন্য হোম
সামাজিক সুরক্ষা পেনশন এবং প্রভিডেন্ট ফান্ড দেওয়ার কেন্দ্র
উপভোক্তাদের বাড়িতে প্রতি ১৫ দিন অন্তর পুষ্টিযুক্ত খাবার পৌঁছে দেবেন অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীরা সরকারি দফতর কেন্দ্রীয় সরকার
আধা সেনা, প্রতিরক্ষা, স্বাস্থ্য, বিপর্যয় মোকাবিলা, ফুড কর্পোরেশন-সহ অন্যান্য মন্ত্রকে ডেপুটি সেক্রেটারি পর্যায় থেকে একশো শতাংশ উপস্থিতি ও নীচের তলার কর্মীদের মধ্যে অন্তত ৩৩ শতাংশ উপস্থিতি প্রয়োজন

রাজ্য সরকার

পুলিশ, হোম গার্ড, দমকল অসামরিক প্রতিরক্ষা ও জরুরি পরিষেবা বিভাগ
রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের এ ও বি গ্রুপের কর্মীরা প্রয়োজনমতো দফতরে যাবেন। সি এবং নীচের তলার কর্মীদের ক্ষেত্রে ৩৩ শতাংশ উপস্থিতি প্রয়োজন
রেসিডেন্ট কমিশনারের দফতর খুলবে

(জাস্ট দুনিয়ার ফেসবুক পেজ লাইক করতে ক্লিক করুন)