গ্লাভস পরেই ভোটের বোতামে চাপ, বিহার ভোটের জন্য নির্দেশিকা কমিশনের

গ্লাভস পরেই ভোটের বোতামে চাপএই দৃশ্য আবার কবে দেখা যাবে? করোনা কালে এ সব এখন অতীত।

জাস্ট দুনিয়া ডেস্ক: গ্লাভস পরেই ভোটের বোতামে চাপ দিতে হবে ভোটারকে। শুক্রবার সেই মর্মে একগুচ্ছ নির্দেশিকা জারি করেছে নির্বাচন কমিশন। করোনা আবহে বিহার বিধানসভা ভোট ও কয়েকটি কেন্দ্রে উপনির্বাচনের জন্য ওই নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে।

নির্দেশিকা অনুযায়ী, অনলাইনে মনোনয়ন জমা দেওয়ার পাশাপাশি প্রার্থীদের প্রচারের ক্ষেত্রে বেশ কিছু নিয়ম মানতে হবে। বাড়ি বাড়ি প্রচারে প্রার্থী সমেত সর্বোচ্চ পাঁচ জন থাকতে পারবেন। কনটেনমেন্ট বিধি মেনে করতে হবে রোড শো, জনসভা।


দেশের আরও খবরের জন্য এখানে ক্লিক করুন

ওই নির্দেশিকায বলা হয়েছে, ভোটের সঙ্গে যুক্ত প্রত্যেককেই মাস্ক ব্যবহার করতে হবে। ভোটকর্মী এবং নিরাপত্তাকর্মীদের কিট দেওয়া হবে, যাতে পিপিই, ফেস শিল্ড, গ্লাভস এবং স্যানিটাইজার থাকবে। ভোটের আগের দিন প্রতিটি বুথকে স্যানিটাইজ করা হবে। বুথে ভোটারের সংখ্যা বেঁধে দেওয়ার পাশাপাশি আক্রান্ত কেউ যাতে বুথে না যান, তা নিশ্চিত করতে প্রত্যেক ভোটারের থার্মাল স্ক্রিনিং হবে।

নির্দেশিকায় জানানো হয়েছে, গ্লাভস পরেই ভোটের বোতামে চাপ দেওয়ার পাশাপাশি বুথে শারীরিক দূরত্ব বিধি মেনেই ঢুকতে হবে। ভোট দিতে যাওয়ার আগে কেন্দ্রেই প্রত্যেক ভোটারকে গ্লাভস দেওয়া হবে। তা ছাড়া প্রত্যেক ভোটারের হাতে স্যানিটাইজার এবং বাবা-মায়ের সঙ্গে বুথে আসা শিশুদের জন্য ফেসিয়াল পিপিই কিটও সরবরাহ করা হবে। বুথে ভোটারের পরিচয় জানার সময় তাঁকে মুখ থেকে মাস্ক নামানোর অনুরোধ করা হবে।

বুথে ভিড় এড়াতে আগে থেকে টোকেন দেওয়ার ভাবনাও রয়েছে কমিশনের। কোয়রান্টিনে থাকা করোনা আক্রান্তদের জন্যও একগুচ্ছ ব্যবস্থা নেবে কমিশন। নির্দেশিকায় জানানো হয়েছে, তাঁরা একেবারে শেষ লগ্নে ফাঁকা বুথে এসে ভোট দেবেন। তবে করোনা আক্রান্ত ভোটারের বাড়ি কনটেনমেন্ট জোনে হলে তাঁদের জন্য পৃথক বুথের কথা ভাবা হচ্ছে।


(জাস্ট দুনিয়ার ফেসবুক পেজ লাইক করতে ক্লিক করুন)