আনাজের দাম মাসখানেকেই বাড়ল কয়েক গুণ, কাঁচালঙ্কার কিলো ২০০ টাকা!

আনাজের দাম

জাস্ট দুনিয়া ব্যুরো: আনাজের দাম মাসখানেকেই বাড়ল কয়েক গুণ। শুধু আলু, কাঁচালঙ্কা বা পেঁয়াজ নয়, সব আনাজই চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে বাজারে। আর তা কিনতে নাভিঃশ্বাস উঠছে মধ্যবিত্তের।

গোটা রাজ্যেই আনাজের দাম কয়েক গুণ বেড়ে গিয়েছে। লকডাউনের প্রথম দিকে যে চন্দ্রমুখী আলু বিক্রি হচ্ছিল ১৮ থেকে ২০ টাকা কেজি দরে, এখন সেটাই ৩৪-৩৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। মাসখানেক আগেও পেঁয়াজ ছিল ১৮ টাকা কেজি। এখন সেটাই কোথায় ৩৫ কোথাও বা ৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। কাঁচালঙ্কা বিক্রি হচ্ছে ২০০- ২৫০ টাকা কেজি দরে। অথচ এই কাঁচালঙ্কা মাস দুয়েক আগেও ৫০ থেকে ৭০ টাকা কেজি প্রতি বিক্রি হয়েছে। পটল, ঝিঙে, মুলো—সবেরই দর ৫০ টাকা কেজি বা তারও বেশি। পটল ৫৫-৬০ টাকা, ঢেঁড়শ ৬০ টাকা, উচ্ছে ৬০ টাকা কেজি। ওল, বেগুন ৫০-৬০ টাকা, টোম্যাটো ৬০-৮০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। রাজ্যের এক এক প্রান্তে এক এক রকম দাম হলেও, তার ফারাক হয়তো আঠারো-বিশ। জেলার দিকে ১৮ হলে, শহর কলকাতায় তা বিশ।


রাজ্যের আরও খবরের জন্য এখানে ক্লিক করুন

কিন্তু হঠাৎ করে উত্তরবঙ্গ হোক দক্ষিণবঙ্গ— আনাজের দাম এত বেড়ে গেল কেন? চাষিরা কিন্তু দুষছেন বৃষ্টিকে। মেঘমুক্ত আকাশ এবং পর্যাপ্ত রোদই এই দাম কমাতে পারে বলে বিশেষজ্ঞদের আশা। চাষিদের ব্যাখ্যা, বৃষ্টিতে চাষের জমিতে জল দাঁড়িয়ে গিয়েছে। ফলে সমস্যা বেড়েছে। তবে ব্যবসায়ীদের একটা অংশের কিন্তু অন্য ব্যাখ্যা। তাঁদের মতে, পাইকারির সঙ্গে খুচরো বাজারে আনাজের দাম-এর অনেক ফারাক। বাজারে যে দামে আনাজ কিনতে হচ্ছে সাধারণ ক্রেতাদের, তার থেকে অনেকটাই কম দামে ফড়েরা চাষিদের কাছ থেকে আনাজ কিনে নিয়ে যাচ্ছেন বলে অভিযোগ। এক কেজি আনাজ বিক্রি করে চাষি যে দাম পাচ্ছে, আর সেই এক কেজি আনাজ যখন বাজার থেকে ক্রেতা কিনছেন, তার মধ্যে প্রায় ৮ থেকে ১০ টাকার ফারাক থাকছে।

তবে, আড়তদাররা আবার অন্য কথা বলছেন। তাঁদের মতে, অন্য বারের তুলনায় এ বার এই সময়ে আনাজের জোগান অর্ধেকেরও কম। তার কারণ সেই বৃষ্টি এবং মাঠে জল জমে যাওয়া। কবে আবার আনাজের দাম কমবে? চাষিদের ব্যাখ্যা, সামনেই শীতের মরসুম। বাজারে নতুন আনাজ উঠবে। সেই আনাজ উঠলেই ধীরে ধীরে আনাজের দাম কমবে।


(জাস্ট দুনিয়ার ফেসবুক পেজ লাইক করতে ক্লিক করুন)