খুন তৃণমূল বিধায়ক সত্যজিৎ বিশ্বাস, দুষ্কৃতীরা গুলি করে পালায় তাঁকে

খুন তৃণমূল বিধায়ক সত্যজিৎ বিশ্বাস

জাস্ট দুনিয়া ডেস্ক: খুন তৃণমূল বিধায়ক সত্যজিৎ বিশ্বাস । কৃষ্ণগঞ্জের বিধায়ক সত্যজিৎ বিশ্বাস শনিবার সন্ধেয় এক সরস্বতী পুজোর অনুষ্ঠানে গিয়েছিলেন। সেখানেই রাত সাড়ে আটটা নাগাদ তাঁর উপর হামলা চালায় একদল দুষ্কৃতী।তার উপর গুলি চালিয়ে উধাও হয়ে যায় সেই দুষ্কৃতিদের দল। সঙ্গে সঙ্গেই বিধায়ককে হাসপাতালে নিয়ে গেলে মৃত বলে ঘোষণা করা হয়।

ঘটনাস্থল থেকে আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করেছে পুলিশ। এলাকার উচ্চপদস্থ পুলিশ কর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। এলাকায় উত্তেজনার পরিবেশ রয়েছে।

নদিয়া জেলার তৃণমূল সভাপতি গৌরীশঙ্কর দত্ত বলেন, ‘‘কারা গুলি চালিয়েছে এখনও নিশ্চিত নয়। বিজেপির হাত থাকতে পারে এই ঘটনার পিছনে।’’ বিজেপির দিকে আঙুল তুলছেন অনুব্রত মণ্ডলও। তিনি সরাসরি বিজেপিকেই দায়ী করছেন। স্থানীয় বিজেপি সাধারণ সম্পাদক সায়ন্তন বসু, পাল্টা আঙুল তুলেছেন অনুব্রত মণ্ডলের দিকে। তিনি দায়িত্ব পেতেই নাকি এলাকায় খুনোখুনি বেড়েছে বলে দাবি তাঁর।

ভারতী ঘোষ বিজেপিতে যোগ দিয়েই তোপ দাগলেন মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে

যে সময় সত্যজিতের উপর গুলি চালানো হয় তখন তাঁর সঙ্গেই ছিলেন তৃণমূল কংগ্রেসের জেলা সভাপতি গৌরীশঙ্কর। তাঁদের সামনে ফুলবাড়ি এলাকায় সত্যজিতের উপর গুলি চালানো হয় বলে দাবি গৌরীশঙ্করের। তিনি আঙুল তুলছেন মুকুল রায়ের দিকেও।

কানাঘুষো শোনা যাচ্ছে এই নেতার বিজেপিতে যোগ দেওয়ার একটা সন্দেহ দেখা দিয়েছিল। সেটার জন্যও খুন হতে পারে বলে বিজেপির দাবি। এলাকায় বিজেপি-তৃণমূল দ্বন্দ্ব লেগেই থাকত। যার প্রভাবও হতে পারে এই খুন।

তবে খুনের পিছনে যে দীর্ঘ পরিকল্পনা ছিল সেটা অস্বীকার করছেন না এলাকার তাবর পুলিশ কর্তারা। খুনের ধরন দেখেই পরিষ্কার সত্যজিৎ কখন কোথায় যাবেন তার দিকে নজর রেখেছিল দুষ্কৃতীরা। আর সুযোগ বুঝেই খুন করা হল তাঁকে।

(বাংলার আরও খবরের জন্য ক্লিক করুন এই লিঙ্কে)