চোপড়া ধর্ষণ ও খুন অভিযোগে অগ্নিগর্ভ হয়ে উঠল উত্তর দিনাজপুরের চোপড়া

চোপড়া ধর্ষণ ও খুন

জাস্ট দুনিয়া ব্যুরো: চোপড়া ধর্ষণ ও খুন ঘিরে অগ্নিগর্ভ হয়ে উঠল উত্তর দিনাজপুর। সদ্য মাধ্যমিক পাশ করেছিল মেয়েটি। আর তাঁকেই বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ করে খুন করা হল। অভিযুক্তকে গ্রেফতারের দাবিতে ৩১ নম্বর জাতীয় সরক আটকে প্রতিবাদ জানায় স্থানীয় মানুষরা। টায়ার জ্বালিয়ে দেখানো হয় বিক্ষোভ। পুড়িয়ে দেওয়া হয় বেশ কিছু বাস। পুলিশের সঙ্গে খণ্ডযুদ্ধ বেধে যায় তাঁরা উত্তেজদনা থামাতে গেলে। পুলিশের এই প্রতিবাদ থামাতে সময় লাগে প্রায় দু’ঘণ্টা। লাঠিচার্জ  আর টিয়ারগ্যাসেরও সাহায্য নিতে হয় পুলিশকে।

দুটো থেকে শুরু হওয়া উত্তেজনা শেষ পর্যন্ত বিকেল পাঁচটায় গিয়ে শান্ত করতে পারে পুলিশ। তবে এলাকায় এখনও চাপা উত্তেজনা রয়েছে। যে কোনও সময় তা আবার বেরিয়ে আসতে পারে।

চোপড়ার সোনারপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের চতুরগাছ এলাকায় থাকত মেয়েটি। তাঁর বাড়ির তরফে অভিযোগ, শনিবার রাতে মেয়েটিকে জোর জবরদস্তি তুলে নিয়ে যাওয়া হয়। তার পর তাঁকে ধর্ষণ করা হয় এবং তাঁকে বিষ খাইয়ে দেওয়া হয়। বাড়ি ও এলাকার লোকেরা তাঁর খোঁজ শুরু করলে মেয়েটির মৃতদেহ পাওয়া যায়, হাসপাতালে নিয়ে গেলে তাকে মৃত বলে ঘোষণা করা হয়।

স্থানীয়দের অভিযোগ তাকে গ্যাংরেপ করা হয়েছে। দুটো সাইকেল এবং কিচু মোবাইল ফোন পাওয়া গিয়েছে। যা পুলিশের হাতে তুলে দিয়েছে স্থানীয় বাসিন্দারা। পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ টুইট করে জানিয়েছে, পোস্টমর্টেম রিপোর্টে পাওয়া গিয়েছে বিষক্রিয়ায় মৃত্যু হয়েছে এবং তার শরীরে কোনও আঘাতের চিহ্ন নেই। এবং যৌন নির্যাতন বা শারীরিক নির্যাতনের কোনও চিহ্ন পাওয়া যায়নি। পুলিশ জানিয়েছে কোনও অভিযোগ জমা পড়েনি তাদের কাছে।

বেঙ্গল বিজেপির টুইটার পেজে জানানো হয়েছে, মৃত মেয়েটির দাদা স্থানীয় বিজেপির বুথ প্রেসিডেন্ট। তারা প্রশ্ন তুলেছে সে কারণেই কি তাঁকে এ ভাবে মরতে হল? সেখানেই জানানো হয়েছে ধর্ষকের নামও।

(বাংলার আরও খবর জানতে ক্লিক করুন এই লিঙ্কে)

(জাস্ট দুনিয়ার ফেসবুক পেজ লাইক করতে ক্লিক করুন)